শিক্ষার্থীর প্রবেশ ফি থেকে বৃত্তির পুল তৈরি হয়। প্রতিটি লেনদেন — কে দিল, কোথায় গেল — পাঠকীর প্রকাশ্য খাতায় লেখা থাকে। আপনার প্রতিষ্ঠানের আয় জমা হয় প্রতিষ্ঠানের নিজস্ব পার্সে, কোনো ব্যক্তির অ্যাকাউন্টে নয়।
প্রতিটি টাকার গতিপথ যে কেউ দেখতে পারে — অভিভাবক, শিক্ষক, দাতা।
আয় প্রতিষ্ঠানের নামে জমা হয়। উত্তোলনও প্রতিষ্ঠানের নামেই।
ফল প্রকাশের সাথে সাথে বিজয়ীদের বৃত্তি বরাদ্দ হয়, বিকাশে পৌঁছায়।
বই বাছুন, প্রশ্ন সাজান (AI সহায়তাসহ), ফি ঠিক করুন — বিনামূল্যেও চালানো যায়। চাইলে শুধু নিজেদের শিক্ষার্থীদের জন্য প্রাইভেটও।
সহকর্মীদের ডাকুন — কেউ প্রতিযোগিতা চালাবেন, কেউ হিসাব দেখবেন। টাকার ক্ষমতা আর চালানোর ক্ষমতা আলাদা, ইচ্ছা করেই।
আপনার প্রতিষ্ঠানের নিজস্ব পাতা — কী কী চালিয়েছেন, কতজন অংশ নিয়েছে। চাইলে তালিকার বাইরেও থাকা যায়।
সময় বাঁধা পরীক্ষা, প্রশ্ন এলোমেলো, সন্দেহজনক খাতা আপনা থেকেই পর্যালোচনায় আটকায় — বৃত্তি যায় প্রাপ্যের হাতে।
প্রতিষ্ঠানের নাম, ধরন আর যোগাযোগ — পাঁচ মিনিটের ফর্ম।
আমরা যাচাই করি প্রতিষ্ঠানটি সত্যি — কারণ এই যাচাইয়ের ওপরেই অভিভাবকের আস্থা দাঁড়িয়ে। এর মধ্যেই আপনি খসড়া সাজাতে পারবেন।
সবুজ সংকেত পেলেই প্রথম প্রতিযোগিতা প্রকাশ করুন, নিবন্ধন খুলে দিন।